শহরের বুকে এক শুরু গলি, মানুষের আনাগোনা -
চলে, তবে বড় গাড়ি ঘোড়া তাতে ঢুকতে পারে না।
পায়রা ও মানুষের বক-বকুম চলছে সারাক্ষণ।
নিম্নমধ্যবর্গীয় শ্রেণীর মানুষের সুখের সংসার।
বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানে রসগোল্লা, সন্দেশ, লাড্ডু,
সেমাই-এর প্রচলন আছে। মিষ্টি প্রেমিক মানুষেরা -
বিভেদ করতে জানে না, ঠিক যেমন অন্তরে প্রকৃত -
ভালোবাসা থাকলে মানুষেরও বিভেদ করা কঠিন।
ইদানিংকালে, অনেকেই সরব হয়েছেন পটকাবাজি -
ব্যবহারে পরিবেশ দূষণের বার্তা নিয়ে। একবার -
অন্তত বছরে এই নিয়ে হইচই ওঠে টিভি বা নানান -
সামাজিক মাধ্যমে। অনেকের কাছে এরা আজ -
‘আরবান ন্যাক্সাল’ বলে পরিচিত। অনন্য শ্রেণী!
প্রাচুর্যের মাঝে, এসি ঘরে বসে, বছরের একটা -
নির্দিষ্ট পরব ও শ্রেণীকে এখানে নিশানা করা হয়।
তারা জ্ঞাত যে, বিমুখে কেউ স্বোচ্চার হবে না!
সংখ্যাগরিষ্ঠদের দুর্বলতার মুখে এটা এক থাপ্পড়!
এক পূর্ণিমার লগ্নে, তীব্র বর্ষণের দুপুরে শোনা গেল -
এক প্রচন্ড বিস্ফোরণ, আকাশচুম্বী জ্বলন্ত শিক্ষা।
বৃষ্টির শীতল পরিবেশ গ্রাস হলো বারুদের উত্তাপে।
এক জীর্ণ ইমারতের, একটি ঘরে পাওয়া গেল -
ছিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ; অতিবিকৃত দেহগুলি লাশ বলে -
আখ্যা দেওয়ার অবস্থায় ছিল না। শহরের ফুসফুস -
তখন ঘৃণার দূষণে ভরে গেছে, তবে উচ্চস্বরে -
কোন প্রতিবাদী আওয়াজ উঠলো না; ভয় এটাই -
যে কিছু বিজ্ঞাপনের অর্থ কমে যাবে। টিভিতে -
শোনা গেল, 'তদন্ত চলছে'; এটাই অনেক পাওনা!
অরাজকতার দানবীয় আগুনে, বিশ্বাস পুড়ে ছাই,
বিশ্বাসঘাতকতার পচা গন্ধ, অন্ধকার ভবিষ্যতের -
চাপ চাপ কালো ধোঁয়া তখনও ছড়িয়ে চারিপাশে।
প্রতিবাদের তীর রাজনীতির হাওয়াতে মুখ ঘোরালো!
No comments:
Post a Comment