Friday, October 31, 2025

স্বপ্ন হত্যা

কখনও আমি অন্ধকার দিনের অন্ধকারে দেখি স্বপ্ন ।

রাতের উজ্জ্বলতম আলোকে, স্বর্ণালী প্রান্তের দিকে যাত্রা !

আমি স্বপ্নে কেবল সেরাটিই দেখতে পাই

যা হয়নি খোলা চোখে ।


মেঘ থেকে অশ্রু, তারপর একটি উজ্জ্বল ঝলক

নতুন দিনের উত্থানের সাথে জাগিয়ে তোলে আমায়।

স্বপ্ন একটি শিশুর মতো - অপরাধবোধমুক্ত একটি -

মিষ্টি স্বপ্নে নির্দোষ এবং মুক্ত।


পরবর্তী এক স্বপ্ন অন্যটিকে হত্যা করে, অথচ -

এই স্বপ্নের জন্য আমার উচ্চ আশা ছিল।

আমি বরং এর সাথে থাকতে চেয়েছিলাম। 

একটি চিরন্তন দলের মতো,

একসাথেই যাত্রা করতে চেয়েছিলাম।


আমার সুন্দর স্বপ্নময় জীবনের পাতাগুলিতে -

হীরার মতন শিশিরের ছোঁয়ায় সাজানো।  

কি হতো যদি আমার স্বপ্ন সত্য হতো ?

জীবন কি নিজেই হতো একটি অন্তহীন স্বপ্ন?


জীবনটা সুন্দর রঙে গড়া হবে, আর এই -

স্বপ্নটি আমার স্বপ্নের মধ্যে বেঁচে থাকবে!


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫ 


Thursday, October 30, 2025

যদি হয়

পৃথিবী কি কখনও এমন হবে,

একই ডালে ঘুঘু আর ঈগল?

যুদ্ধের নৃশংসতায় চলা গুলি যাবে থেমে, 

আর রক্তাক্ত যুদ্ধক্ষেত্র হবে সবুজ উপত্যকা ।


শিখরে থাকা জীবগুলো কখন জানবে যে -

কান্না আর হাহাকার সর্বত্র একই রকম?

তারা যা বপন করে তাই ফলনে হবে। 

আশ্রয়ের জন্য নেই আর জায়গা।


যুদ্ধের লুণ্ঠন, বিধবাদের কান্না,

শকুনের চোখেও যন্ত্রণার উদ্রেক করে।

কেউ অন্তিমে পায় অগ্নির আলিঙ্গন,

কেউ পায় মাটির শান্তি আর কিছু -

সময়ের আগে প্রতিশ্রুত জীবন হয় শেষ ।


সত্যিই এখনও শুনতে পাও না,

মৃতরা কীভাবে কবর থেকে কথা বলে?

প্রতিটি অশ্রুর পেছনে নীরব গল্প, জীবিতরা -

কীভাবে সাহসীদের করেছে অসম্মান ।


আসবে কি সময়, ঘুঘুর মুখে জলপাইয়ের ডাল?

কোন ছাই নেই, পোড়ানোর কিছুই নেই, সব -

কেবলই বেঁচে থাকার আর নির্মাণের জন্য প্রচেষ্টা।


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫


দ্য রোড নট টেকেন (রবার্ট ফ্রস্ট)

থমকে দাঁড়ালাম, পথ দুমুখে আলাদা হলো। 

মৃত পাতা দিয়ে স্বর্ণ পিঙ্গলে সজ্জিত পথ -

আমায় করলো মুগ্ধ ও চিন্তায় মগ্ন । 

মনোকষ্ট যে, আমি দুজনের সাথে সঠিক -

বিচার করতে অক্ষম হয়ে রয়ে যাবো। 


কতো অজানা সৌন্দর্য রয়ে যায়, যে পায় না -

ক্লান্ত পথিকের মনোরম ভালো লাগার আমেজ। 

কিছু সময় ব্যাতিত করে, বক পাখির মতন -

মুখ বাড়িয়ে বুঝতে চাইলাম কি রয়েছে অপেক্ষায়। 


নিলাম ভিন্ন রাস্তা, তাঁরও ছিল ন্যায্য দাবি।

সম্ভবত সে আরও মায়াবিনী কারণ সেই পথে -

নেই কোনো প্রাণের চলার স্মৃতি জড়ানো।

পরিপূর্ণ যৌবনের মতনই সবুজের সাজ। 


পথিকের নজর থেকে আড়াল করা,

অপরূপ লাবণ্যে আবৃত, রমণীর ন্যায়

 অপেক্ষায়, সেই আকাঙ্খিত শুভ দৃষ্টির। 

অজানাকে দেখার, অজানাতে হারানোর -

প্রলোভন নিয়ে চলে অচিন পথের দিকে। 


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫


প্রতিটি কণ্ঠস্বর তুলে গাও - sbmt

প্রতিটি কণ্ঠস্বর তুলে গাও যতক্ষণ না -

পৃথিবী ও স্বর্গ বেজে ওঠে, স্বাধীনতার -

সুরে সুরে । আমাদের আনন্দ যেন -

বেড়ে ওঠে শ্রবণকারী আকাশের -

মতো উঁচুতে । সমুদ্রের ধ্বনি যেন -

শোনা যায় চারিদিকে ।


নতুন উদীয়মান সূর্যের মুখোমুখি হও,

বিজয় না পাওয়া পর্যন্ত এগিয়ে চলো।

পাথুরে পথে চলেছি ও চলবো, 

শাস্তির লাঠি হয়েছিল তিক্ততায় তীব্র। 


সেই দিনগুলি অনুভূত হয়েছিল যখন -

মানুষের অজাত আশা মারা গিয়েছিল। 

তবুও প্রতি স্পন্দনে আমরা অবিচলিত,

আমাদের পদচারণা ক্লান্ত হয়নি সেই -

জায়গায় এসে যার জন্য আমাদের -

পূর্বপুরুষরা দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলেন। 


এমন পথ পেরিয়ে এসেছি যা  অশ্রুসিক্ত -

হয়েছে। আমরা এসেছি নিহতদের রক্তের -

মধ্য দিয়ে। পথ পাড়ি দিয়ে বিষণ্ণ অতীত -

থেকে আমরা আসবো বেরিয়ে । 


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫


Wednesday, October 29, 2025

অদম্য আত্মা - submitted

হয়তো তোমাদেরই স্মৃতিতে পাবো না ভালো ঘর।  
ডুবে যাবো হয়তো তোমাদের গ্লানির কোটরে। 

তাই না হয় রেখো। সবাইকে যে খুশি করা যায় না। 

আমাকে ফেলে দিও অভিযোগের গন্ডিতে। 

ছুড়ে মেরো আমায় তোমাদের অহংকারের পাথর। 

তোমাদের স্বার্থপরতা কে বাঁচিয়ে রাখতে -

আমি এটাও মেনে নেবো খুশি মনে। 

দুর্বলকে যে দুর্বল বলা মানা। কি পরিহাস !

তুচ্ছ ব্যাপারে রুষ্ট হয় তারা যে দুর্বল জানি। 

আমায় আচ্ছাদিত করো তিক্ত কথার সজ্জাতে। 

করো আমায় পদদলিত, তোমাদের চক্রান্তকে -

এক পূর্ণতার আকার দেওয়ার স্বার্থে। 

জেনো সূর্যকে সাময়িক মেঘে ঢাকা যায়,

তবে তাঁর প্রতাপের হয়না কখনো হ্রাস। 

তোমাদের তিক্ত বাঁকানো মিথ্যা আছে,

যা সাঁপের চলনকেও লজ্জিত করে। 

আমি ও আমার বিবেক যে -

এক অনন্য রাজকীয় যুগলবন্দী। 

অজস্র আঘাতের মাঝে আমার অট্টহাসি -

করবে তোমাদের হতবাক জানি। 

কটু কথার দ্বারা রক্তাক্ত করতে পারো,

ঘৃণার আঁখিতে বিদ্ধ করার চেষ্টা করো। 

করো ছুরিকাঘাত আমায় বিশ্বাসের অন্তরালে। 

রেখো না ত্রুটি বাহুবল, কপটতা, ষড়যন্ত্রের। 

বিবেকের হাত ধরেই হবে উন্নত শির। 

প্রতি পদক্ষেপে যারা আমাকে করেছে অপমান,

এখন তাদের ক্লান্তি দেখে আমার করুণা হয়।

যতই উত্তপ্ত করো পরিবেশ, পরিস্থিতি,

আমি গলিত সোনার মতো জ্বলে উঠবো।



প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫


প্রদীপের লড়াই

স্বর্গ থেকে আসা এক ঝাপটা হোক,
অথবা হোক উত্তরের তীব্র ঠান্ডা বাতাস।

কালো কাকের শিহরণ জাগানো ডাক,
অথবা সাহসী মনে হয় নরকীয় ক্রোধ।

অল্প রোশনাইয়ের ছোট প্রদীপ কি বা -

করতে পারে, যার মৃদু শিখা জ্বলছে?


অদ্বিতীয় নীরব গর্জনের সাথে সমস্ত -

প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দীপ্তি তার -

পিঙ্গল ও নীলিমার মাধুর্য ধরে আছে।


বৃষ্টির কাছে হার না মানা, ঝড়ের সম্মুখে -

মাথা উঁচু করে থাকাই হলো, এক অজেয় -

দীপ্তির জীবন গাঁথা।


ক্ষুদ্র শিখা জীবনের অনেক অতিকায় -

আকারের লড়াই জেতার দেয় শিক্ষা ।


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫


Tuesday, October 28, 2025

যৌবনের ক্ষয় - sbmt

প্রাসাদ হারিয়েছে তার যৌবনের আলো। 

অলংকৃত রমণীর ন্যায় থাকতো সেজে। 

আজ নেই কারোর আকর্ষণের পরিধিতে। 

সবার নজর থেকে গেছে মুছে। 


স্মৃতি ও খ্যাতিতে ছিন্নভিন্ন।

যৌবনের ত্বকের লালিমা, মাধুর্য যেন -

ছিল সেই প্রাসাদের উঁচু মিনারে।

ক্ষমতার ছিল প্রতীক। 

ছিল সবার চোখের তৃপ্তির খোরাক।

আজ রয়েছে পুরাতন সৌন্দর্যের ছায়া মাত্র। 


অন্দর মহলের প্রদীপের মতন কতো -

রানীর আশা আকাঙ্খার বাতি হয়তো -

সম্পূর্ণতার শিখরের রাত পার করার -

আগেই গেছে নিভে।

সে জানা অসম্ভব। 


দেওয়ালে কান রাখলে শোনা যায় -

তাঁদের দীর্ঘশ্বাস, সিক্ত নয়নের গল্প।  

পলেস্তারা খসে যাওয়ার মতনই -

যুবতীর রূপ মুর্ঝ যাওয়ার কাহিনী। 

সময় যে কারোর জন্যে থেমে যাবে না। 

তাঁর নেই বিশ্রাম, নেই বার্ধক্য, নেই ক্ষয়।  


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫


পাথর - submitted

আমি কেবল এক নগন্য সরল পাথর,
অসীম তীরে পরে রয়েছি। 
লক্ষ লক্ষ ফোঁটা একত্রে ছুটে আসে -
আমার ওপর মহা উল্লাশে আছড়ে পরে। 

বহুকাল পেরিয়ে ঢেউ করেছে উপহাস,

যখন তারা ফেনা হয়ে করে আলিঙ্গন।


ওরা আমার হৃদয়ে আঘাত করেনি কখনো, 

যদিও তারা ছিল পাহাড়ের ন্যায় উঁচু। 

অসংখ্য বালুর কণা আমি ধরে রেখেছি,

অনাদী কাল পেরিয়ে আরও পার হবো ।


নীরবে, নির্দ্বিধায়, শিশু কে রক্ষার ন্যায় -

আমি আগলে রেখেছি সৈকতের গঠন। 

নিভৃতে, বিশ্বাসে, ধৈর্য্য এই সম্পর্কের জন্ম।  


বর্বরদের মতো আঘাতকারী ঢেউয়ের -

বিরুদ্ধে আমি মাথা উঁচু করে রেখেছি ।

প্রতিবার পরীক্ষণে হয়েছি উত্তীর্ণ, তবে -

পরীক্ষা যে চলবে চিরন্তন, ওরাও জানে। 


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫

 





শহরের মেজাজ

মোমের মতন জ্বলছে, যন্ত্রের মতন চলছে -
ভিড় ঠেলে, ধাক্কা দিয়ে, উর্ধশ্বাসে চলছে -
আমার শহর, আমার শহরবাসী। 

উত্তপ্ত ফুটপাথে, ক্লান্ত মনের ভারে চলছে -

ছুটোছুটিতে চলছে, দেরি করেও চলছে -

আমার শহর, আমার শহরবাসী। 


সংসারের বোঝা, সবজির বোঝা নিয়ে চলছে -

চোখে ঘুম, ধীরে ধীরে ছোট পায়ে চলছে -

আমার শহর, আমার শহরবাসী। 


আধপেটা খেয়ে, দৌড়ে বাসে উঠে চলছে -

সন্তানের টানে, প্রেয়সীর টানে ওরা চলছে -

আমার শহর, আমার শহরবাসী। 


নিজের দিকে, রাস্তার দিকে না দেখে চলছে ।

এগিয়ে যাবো, এগোতেই হবে জেনে চলছে ।

এক ঢেউয়ের মতন, জনস্রোতে চলছে -

আমার শহর, আমার শহরবাসী।


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫



Sunday, October 26, 2025

মুক্ত পালতোলা - submitted

মুক্ত মন স্বাধীন হওয়ার রাখে অভিপ্রায়, 
পালতোলা নৌকো হবে জীবন -
মাঝিবিহীন হবে আনন্দ যাত্রা। 

নোঙর হবে না কোনো খুঁটিতে -

নদীর পার ছুঁয়ে যাবো তবে দাঁড়াবো না। 

কোনো গাছের গুঁড়িতে ধরা দেব না -

শেকল সম জীবনকে করবো পরিত্যাগ। 


কিনারায় বসবাসকারী অনেক মানুষদের -

দেখে খুশিতে হাত নাড়িয়ে নেব বিদায়। 

অসীমের দেখতে চাই কোথায় হয় শেষ। 

উত্তাল ঝড়, পালের সাথে করবে খেলা -

স্বপ্নের ভ্রমণের ডাক দেবে ফেরারী মন। 


অপেক্ষারত অচেনা মনের খোঁজ পাবো -

অচিন শহরের পাথরের সাজানো রাস্তায়। 


ফুলে ফেঁপে ওঠা ঢেউ নৌকো দোলায় -

তেমনি জীবনে সিদ্ধান্তগুলিও হয় সম্মুখীন। 

মন কে জানাবো নতুন করে মনের ইচ্ছে -

স্রোতের বিমুখে চলা, হাজারের বিরুদ্ধে কথা বলা -

এ যেন সব স্বপ্ন পূরণের এক স্বর্ণালী শুরু।   


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫



একাকী কোণ - submitted

সে ছিল নিদারুণ নীরবতার মধ্যে,
তাঁর নিজের এক একাকী জগতে।
শয্যার এক কোণে পরে থাকা -
ডাইরির পাতায় লেখা মনের বার্তা। 

হাসি, কান্নার মাঝে ছিল জীবন যাত্রা। 

ফল্গুর ন্যায় বয়ে গেছে নীরব অশ্রু। 

সব হারানোর ভয়কেও করেছিল পরাজিত -

এই জীবনের অসম সংগ্রামে। 


লড়াই যে শুধু একটা মানবের -

জীবনকালেই সীমাবদ্ধ থাকে না। 

ওটা হস্তান্তর হয় পরের প্রজন্মের কাছে। 


কুঁচকে যাওয়া শুকনো পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধ -

আছে রাত জাগা শান্ত ক্রন্দনের কথা ।

রাত জেগে অন্ধকারের নীরবতা কে -

নিজের জীবনের শেষ সাথী করার যন্ত্রনা,

আছে অস্পষ্টভাবে লেখা।


অনেক বিমর্ষ ভাবনা হয়তো লেখা যায়না ।

অনেক নিদ্রাহীন রাত তাঁকে শিখিয়েছিল -

সব রাতের শেষে ভোরের আলো ফোটে না। 


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫



সুখী দোয়েল - submitted

বৃষ্টিতে লোহার রেলিংগুলোয় পড়ছে জল ঝরে - 
ছোট একটি দোয়েল এলো লেজটি নেড়ে। 
ওপর থেকে কাক দেখছিলো কৌতূহলী মনে -
পাখনা ভেজা দোয়েল কার্নিশের এক কোণে। 

ধূসর রঙের ছায়া ছড়িয়ে আকাশ জুড়ে -

ভেজা কাক একই স্থানে বসে চুপটি করে। 

খিদে নেই দোয়েলের তবে চঞ্চলতা পায়ে -

খানিকটা সময় নিয়ে তার পালক সাজায়। 


খেলার মাঝে বৃষ্টিতে এক বালক দৌড়ে এলো -

ঝিমিয়ে থাকা কাক, সেও উড়ে গেলো। 

দোয়েল তখনও ব্যস্ত নিজে সাজসজ্জায় -

মায়ের ডাকে বালকটি ফিরে গেলো দরজায়। 


ডাকলো দোয়েল সজ্জা শেষে মধুর সুরে -

খানিক পরে আরেক দোয়েল আসলো উড়ে। 

বৃষ্টি শেষে ধূসর চাদর এবার নীল হবে -

ওরা দুজন একসাথেই সুখের উড়ানে যাবে। 


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫


মা

অস্তিত্ব তাঁর শীতল শিশির কণা -

এমনিই তাকে জানতো অনেকজনা ।

অনেক কিছুই সে চেয়েছিলো বলতে -

হয়নি তা বলা দৈনিক জীবনে চলতে ।


হলো না শোনা, তাঁর বাকি কথা যত -
সময় দিলো ফাঁকি, রয়ে গেলো ক্ষত ।
বহু প্রশ্ন, বহু কথা আজও আছে বাকি -
অসীম নীরবতা, দিলো চুপিসারে উঁকি ।

সময় আসছে কমে, জানা ছিল তাঁর, কিছু -
অনুভূতি চোখে এসে, প্রকাশ পায়নি আর ।
সর্বদাই মন তাঁর শিশুসুলভ, মাত্রা ছাড়িয়ে  -
নির্ভীক তমসা যাত্রী, দিয়েছিল মৃত্যুকে হারিয়ে ।

প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫




Saturday, October 25, 2025

কুমোর submitted

দেখেছো কখনো মৃত্তিকার পাত্র?
প্রখর রৌদ্রে ফেলে রাখা থাকে?
অমূল্য শিক্ষা - জীবনে শক্তিশালী -
হতে গেলে নিজেকে অনেক -
বাধা বিপত্তি পেরোতে হবে। 

শিশুর ন্যায় সে নরম মাটি দিয়ে গড়া।  

কুমারের শ্রমের সুবাস আর কল্পনা,

আছে তাঁরই নির্মিত শিল্পকলায়। 


স্রষ্টা যেমন চেয়েছেন, তেমনই -

আকৃতি দেওয়া হয়েছে।

কল্পনা আর তীব্র তাপের মিলনে -

পেলো এক মনোরম আকার। 


সরল মনের মতোই, মাটিও সেই রূপ -

ধারণ করে যা কুমোরের নিপুন আঙ্গুল -

আর মনশ্চক্ষুর মেলবন্ধনে নেয় জন্ম। 

স্নেহ, মায়া, মমতা, শাসন, শিক্ষা দিয়ে -

সমাজে আদর্শ মানুষের গঠন হয়।


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫