পৃথিবী চির বিদায় দেয় অন্তরের মধ্যাকর্ষণ।
হবে সবাই ছন্নছাড়া, মৃত্তিকাকে বিদায় দিয়ে,
পাখনা বিহীন উড়বে সবাই স্বর্গমুখী!
ধরণীতে থেকেও যে, মানুষ ঐকতায় বিশ্বাসী,
সেটা নয়, তবে একে অপরকে ছেড়ে গেলে,
হয়তো বুঝবে একত্রে বসবাস করার মর্ম।
রবে শুধু একলা সংসারে মাটি, দীর্ঘশ্বাসে বায়ু।
বৃদ্ধি পাবে হয়তো কিছুটা পৃথিবীর আয়ু!
নীর নিজের মৌলিক আকারে শেষ বিদায় -
জানাবে তার জন্মকালের সাথী কে।
জানি সেটা অপ্রকাশিতব্য যন্ত্রণা, কিন্তু সত্যি।
জলের ক্রন্দনে ভূমিবক্ষ যাবে শুকিয়ে -
তার যে দুঃখ প্রকাশের অধিকার নেই।
এই প্রথম হবে দৃশ্যমান, মহাসমুদ্রের অতল গর্ভ,
দেখা যাবে অজস্র কোটি বছরের ক্ষত বিক্ষত -
চিহ্নগুলির এক বেদনাদায়ক মানচিত্র।
এতটা কাল, জল নিজের স্নেহ দিয়ে আগলে -
রেখেছিল ভূমি মাতৃকার অতীতের বেদনা!
অসীম অন্ধকারের সমগামী যাত্রী হলে হয়তো,
মানুষ উপলব্ধি করবে আলোর মর্ম, জানবে -
ভালবাসার প্রাপ্তি এই ধরণীর বাইরে নয়।
এই জীবনের মহাকাশে ভালবাসা সেই সূর্য, যা -
গ্রহদের ন্যায় মানুষকে দেয় বেঁচে থাকার পথ।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment