তা ভাঙতেই পারতাম, এক নিঃশ্বাসে।
সত্তার প্রতিচ্ছবি, আমার এই দুর্গখানি -
ধীরে ধীরে ভাঙবে, সেও আমি জানি।
থরে থরে সাজানো সব, মনেরই কথা -
বন্দী সেখানে আজও, এক দল ব্যাথা।
হাসির প্রলেপে, ওই দেওয়াল রাঙানো -
অতন্ত প্রহরী ‘বিবেক', চিরতরে জাগানো।
আকাঙ্খা রয়েছে ভিতর, ওই অন্দরমহলে -
ছলনার পর্দায় ঢাকা, নেই কারুর দখলে।
দুর্গটা অনেক বড়ো, জীবনের মতো -
গুনিনি কখনো, খালি ঘর আছে যতো।
সচেতন চিন্তা সব, রাতে প্রহরায় থাকে -
কপটতার তীর তাও, বক্র পথ আঁকে ।
আমার সত্তা, মর্যাদার মুকুট মাথায় বাঁচে
অশরীরী ছল-চাতুরী, মত্ত হয়ে নাচে।
মনের বয়স হলে, প্রহরীরা ছেড়ে যাবে -
বন্ধ মনের ঘরগুলো, তেমনি পরে রবে।
কালের ঝরে একদিন, পর্দা যাবে উড়ে -
নিষ্পাপ বন্দীগুলো, ফিরবে যে যার ঘরে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment