একটা শেষ লেখা লিখে রাখি।
এটা নয়, যে আর কিছু লিখবো না,
কিন্তু একটা শেষ লেখা হয়তো সব -
লেখকের জীবনে মোহর হওয়া উচিত।
স্নায়ুর সাথে মস্তিষ্কের বন্ধুত্বের মেয়াদ,
সেতো সবারি অজানা, পথ যে অচেনা।
জীবনের আঘাত, কষ্টগুলো দেখেছি -
এক দুর্লভ অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে।
মানব সভ্যতার ইতিহাসে তার পরিচয় -
পাওয়া যায় 'অভিজ্ঞতা' নামে।
সুক্ষ চারিত্রিক গুণ কে বড়ো করে -
দেখানোর ক্ষমতা আছে এই যন্ত্রে।
একুশের হেমন্ত পার হওয়ার পূর্বেই,
বিগত্ব এসেছিলো একান্নোর মতন।
দেখার পরিধি যখন সময়ের আগে -
আলোক বিস্তার করে বুদ্ধিমত্তার ওপর,
তখন জীবনে তমসার ঘনঘটা যায় কমে।
ভাবনায় আসে ভীতি এই ভেবে, যে হয়তো -
নিয়তি চাইছে আরেকটু অপেক্ষা করাতে।
সেই পরমেশ্বরের ইচ্ছেবিনা, এই অনুবীক্ষণ -
যন্ত্র থেকে চোখ সরানোর অধিকার কারোর নেই।
অভিজ্ঞতায় আসা বার্ধক্য মনকে বাধ্য করে,
কলম কে ছুরির মতন আঁকড়ে দাগ কেটে যাই।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment