Tuesday, February 17, 2026

শেষের কথা

কতবার কাকভোরে উঠে ভেবেছি -

একটা শেষ লেখা লিখে রাখি। 

এটা নয়, যে আর কিছু লিখবো না,

কিন্তু একটা শেষ লেখা হয়তো সব -

লেখকের জীবনে মোহর হওয়া উচিত। 

স্নায়ুর সাথে মস্তিষ্কের বন্ধুত্বের মেয়াদ,

সেতো সবারি অজানা, পথ যে অচেনা। 


জীবনের আঘাত, কষ্টগুলো দেখেছি -

এক দুর্লভ অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে। 

মানব সভ্যতার ইতিহাসে তার পরিচয় -

পাওয়া যায় 'অভিজ্ঞতা' নামে। 

সুক্ষ চারিত্রিক গুণ কে বড়ো করে -

দেখানোর ক্ষমতা আছে এই যন্ত্রে।


একুশের হেমন্ত পার হওয়ার পূর্বেই,

বিগত্ব এসেছিলো একান্নোর মতন। 

দেখার পরিধি যখন সময়ের আগে -

আলোক বিস্তার করে বুদ্ধিমত্তার ওপর,

তখন জীবনে তমসার ঘনঘটা যায় কমে। 


ভাবনায় আসে ভীতি এই ভেবে, যে হয়তো -

নিয়তি চাইছে আরেকটু অপেক্ষা করাতে।

সেই পরমেশ্বরের ইচ্ছেবিনা, এই অনুবীক্ষণ -

যন্ত্র থেকে চোখ সরানোর অধিকার কারোর নেই।

অভিজ্ঞতায় আসা বার্ধক্য মনকে বাধ্য করে,

কলম কে ছুরির মতন আঁকড়ে দাগ কেটে যাই। 


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬


No comments:

Post a Comment