আসা যৌবনের পূর্বে। রৌদ্র ছড়িয়ে পড়ল, মেঘ
কেটে দিল বিষন্নতার ছড়ানো চাদর। গ্লানি’র গভীর
ঘন ধূসর মেঘমন্ডল নিজেরা করলো বহুকাল পর
নিজেকে আত্মসমর্পণ মনের নতুন প্রাপ্তির কাছে।
জীবনে প্রথম আনন্দের আলো বিশ্বাস হয় না।
মনে হয় চোখ ও মন ঝলসে যাচ্ছে। স্বপ্নের আবেশ
ভেঙে যাওয়ার পর চোখ খুললে যেমন মনে হয়।
ধীরে ধীরে মস্তিষ্কে এই সত্য ঘটনার হয় উপলব্ধি।
ছোটবেলায় বিদ্যুৎ-ছাঁটাইয়ের পর আলো ফিরে -
এলে যেমন চোখ ধাঁধিয়ে যেতো, ঠিক তেমনি হয়,
আশাতীত সুখ এলে অন্ধকার মনের কোটরে।
অনেকটা সময়, একটি মজ্জায় গেড়ে বসে থাকা
পুরোনো গাঢ় ব্যথা যেমন গাত্রে একটি স্বাভাবিক,
সহ্য করার মতন অনুভূতি এনে দেয়, ঠিক তেমনি
হয় অনেক কালের কষ্ট বহন করার পরিণতি।
জানি এটা মনের, এক অনন্য অপ্রস্তুত মুহূর্তের
এক সাবলীল অনুভূতি। মেঘ কাটতেও যে সময়
লাগে। ভালোবাসার আস্তরণ নিজেকে বিস্তার হবে,
তার নিজের নির্ধারিত সময়ে। যৌবনের ভাবনায়
আঁকা সেই আকাশ জানি আবার ঘন নীল হবে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬