Saturday, July 11, 2026

চাবি

ভবঘুরে মেঘ, পাও কি শুনতে আমার ডাক?

রবি’র পূর্বে যেমন কর্কশ কণ্ঠ ছাড়ে কাক।


হারালে কি তুমি, শুনতে পাও আমার দাবি?

জানি ভবঘুরে হওয়ার তোমারই কাছে চাবি।


রাস্তার পেয়েছি বাঁক, রাস্তার দেখেছি শেষ,

এই আকাশ পথ, আছে খোলামেলা বেশ।


নীল আকাশের রাস্তা, শীত চাদর তার মাপ,

মরু আমার চলার পথ, প্রতি পদক্ষেপে তাপ।


তুমি নও গৃহবন্দি, তোমার সাথে হাওয়া চলে,

এই জীবন মুক্ত কয়েদ, বাঁধা এর চাতুরী ছলে।


যদি কখনো ডাক পাও, একটিবার তবে এসো,

নিকট হতে দেখব তোমায়, একটু পাশে বসো।


জানি ধরণীর নিকটে এলে, নিঃশেষ হয়ে যাবে,

ভাব তাহলে মানুষ জীবন, এখানে কেমন তবে!


একবার দেখে যেও, মেয়াদ যখন হবে শেষ,

বুঝবে এই বন্দি জীবন, কাটিয়ে গেলাম বেশ।



প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬


হিসেব রাখিনি

পেয়েছি যা কিছু কোনো হিসেবেই তা রাখিনি,

হারিয়েছে সময়ে যত কোনোটাই আমি বাঁধিনি।

জানা নেই তবে হয়ত যোগের হিসেবে কম ছিল,

যা গিয়েছে বাদ সব, ওরা লম্বা সারিতে চলছিল।


ছড়িয়ে ছিল সুখের মেঘ জীবনে’র আকাশ জুড়ে,

তবু কেন তারা বর্ষালো ওই বেশ খানিকটা দূরে?

এমনি পাইনি উত্তর কত, গেছে হাত থেকে চলে,

মুঠোয় যখন ভরল সুখ, সেও তো আসেনি বলে।


সময় নাকি ভুলিয়ে দেয় সময়ের দেওয়া ব্যথা,

তাই হয়ত নেই মনে আর সুখের ভরা গাথা!

হারানোর যা গল্প ছিল, কষ্টের চাদর হয়ে ঢাকা,

চাপা পড়া সুখগুলো আজ দুঃখের রঙে আঁকা!



প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬