কয়েকবার করেছে হয়তো ঠক ঠক...
... ঠক ঠক, এবার ভাঙলো অতীতের ঘুম।
স্মৃতি বিস্মৃত, ভাঙা কাঁচের স্বপ্নের অবশিষ্ট
মাখানো, আকাঙ্খার দরজায় এসে দাঁড়ালাম।
প্রতিশ্রুতির কড়াতে দেখি জমে রয়েছে -
ছল চাতুরির একরাশ কঠিন ধুলোর প্রলেপ।
কপাট খুলে দেখি, নিবিড় অপেক্ষায় কিছু -
পথভোলা জোনাকি এসেছে আমারি খোঁজে।
এক প্রশ্নাতীত জিজ্ঞাসায় বললাম, 'তোমাদের -
নিজেরই আছে আলো, পথ ভুলে গেলে কি করে?'
মনের কোটরে পা রেখে, এক সাবলীল হাসিতেই -
ওরা উত্তর দিলো, 'এই রোশনাই তো আমাদের -
জন্য নয় মহাশয়; এই আলো, ভালোবাসায় বিশ্বাসী,
নির্মম মরুর দিকভ্রষ্ট ছন্নছাড়া যাযাবরদের জন্য'।
জানলাম, শুকতারা দিয়েছিল ওদের, নিজের -
নিপাট স্বচ্ছ রুপোলি আলো, যা পথোনির্দেশিত হয়েছিল,
মহাকাশের একাকী, স্থির উজ্জ্বল ধ্রুবতারা থেকে।
চরম বিস্ময়ে বললাম, 'তা এখানে কেন?'
একত্রে বলে উঠলো, 'আমাদের সমবেত ইচ্ছে -
ছিল ধ্রুবতারা দেখার, খুব কাছ থেকে। আশাহত হবো -
জেনেই শুকতারা পথ দেখিয়ে নিয়ে এলো এখানে।
যার সিদ্ধান্ত অটল, সে নগন্য হলেও, এক ধ্রুবতারা!
আজ ছিল আমাদের স্বপ্নপূরণের লগ্ন।’
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment