একটা থমথমে ভাব, হাওয়া যেন চলছে পা গুণে।
কাঠঠোকরা বাসা বানানোতে রেখেছে বিরতি।
একটা শ্বাস বন্ধ করা স্থিরতা, এক অটল নিস্তব্ধতা -
সবাইকে করেছে চিন্তিত, একই সাথে কৌতূহলী।
জিরাফের দল মিষ্টতায় টইটম্বুর মারুলা ফল কাছে -
পেয়েও নিজেকে, এক অলিখিত বাঁধনে আটকে -
রেখেছে। গন্ধ ও স্বাদের আমেজ, চারিপাশে -
থেকেও সেটা মনকে আকৃষ্ট করতে পারছে না।
আজ বাঘ, হাতির দল উভয়ই করছে জলপান -
কোনো রকম পরস্পরের দিকে নজর না দিয়ে।
হস্তি শাবক মায়ের পেটের তলায় চুপ করে দাঁড়িয়ে।
সাভানার গাছের ছাউনী আগলে আছে পাখিদের।
নেই সুদূরপ্রসারী গান গাওয়া পাখির কুহুতান।
এলিফ্যান্ট গ্রাস-এর ছায়াতে, হায়েনার দলবদ্ধ -
পরিবারের মতন, একসাথে বিশ্রাম নিচ্ছে, কিন্তু -
ওদের দলের সর্দার তপ্ত রৌদ্রে মাথা উচুঁ করে,
দূর পশ্চিম প্রান্তের দিকে স্থির দৃষ্টি নিক্ষেপ করা।
দেখতে না পেলেও, তার প্রবৃত্তি এক অনুভূতি -
জাগ্রত করেছে - আজকের সকাল সাভাবিক নয়!
পশ্চিমা বাতাস এক চিতা’র তন্দ্রা ভাঙিয়ে দিল…
ঘাস বিহীন লাল মাটিতে অল্পবিস্তর কোলাহলে,
এক দল শকুন পেটের জ্বালা মেটাতে ব্যাস্ত।
ভোরের আলোয় মৃত্যু হয়েছিল এক বৃদ্ধ শকুনের।
প্রাণ হারানোর পরেও, তার পরিবারের প্রতি,
শেষ কর্তব্য নির্বাহন তখনও বহমান!
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment