চৌকাঠের বাইরে পা, দরজা রেখেছো বন্ধ -
ডাকবো কিনা ভেবেছি, মনের মাঝে দ্বন্ধ।
পেছন দিকে দেখি, দুধারেই মানুষের চরাচর -
হৃদয়কে দিয়েছি ডাক, তুমি খালি করেছো ঘর।
মনের কোণে কম্পন এক, সময় গিয়েছে থেমে -
কৈশোর প্রেমের প্রথম ছোঁয়া, যৌবনেতে নেমে।
মাথা নিচু, আড়চোখে দেখা, অসম স্পন্দন করে -
বসন্তের কোকিল, শ্রাবণেতে যখন, মধুর সুর ধরে।
একই দৃশ্য দেখি আমি, যখন চৌকাঠেতে চাই -
পূজার দুপুরে পায়ে নূপুর আর আলতা ছিল তাই।
অলস ছিল বিকেলগুলো, কিশোর কুমার জীবন জুড়ে -
রেডিওতে ইয়োডলিং, যেতাম মনের সীমানা পার করে।
বুক ভার করা কষ্ট, উর্দ্ধে চোখেই নিকাশি পায় -
জমে থাকা আকাশের দুঃখ, মেঘ বৃষ্টি হয়ে যায়।
পাথরের বোঝা বুকে নিয়ে, নদীর একক অঙ্গীকার -
প্রাচীন অশ্রু সাথে নিয়ে, বয়ে চলছে নির্বিকার।
নিয়েছ নতুন বাঁক, পুরনো ছেড়ে নতুন কে খুঁজতে -
নতুনও পুরনো হবে, একদিন পারবে এই ভুল বুঝতে।
এই কালচক্রে যে নদী, সদাই সমুদ্রে গিয়ে মেশে -
সেই অন্তিম ক্ষণে একবার, দেখা হবে অবশেষে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment