জানি সেই নির্ধারিত শুভক্ষণ আসবে একদিন।
রোজকার মতনই থাকবে এক নিয়মিত কর্মসূচি।
প্রতিটি প্রাণ পৃথিবীকে বিদায়কালে অধরা রেখে -
যায় অনেক দায়িত্ব, নিজের ও সমাজের প্রতি।
এই জীবনকাল, একটা রীলে দৌড়ের মতন চলে।
কোনো অংশগ্রাহী, এই দৌড়ের একা বিজয়ী নন।
ছুটছে সবাই এই জেনে যতটা শেষ করা যায়।
কত ভালো হতো যদি নিজের অংশভাগের -
করা যেত পূর্ণবিরাম। বিদায়ই শঙ্খধ্বনি হওয়া -
মাত্রই নিশ্চিন্তে অচিন পথে এগোনো যেত।
দুবিধা একটাই, কর্ত্যবের ভাঁড়ার শূন্য করলেও,
এই জীবনের ঋণের হাড়িতে, তলানি রয়ে যাবে।
এই ধরণীর সাথে একটা যোগসূত্র রয়েই যায় -
বিদায়ের পরেও; হয়তো এই জন্যে একধিক -
সময় বিভিন্ন রূপে ফিরে আসতে হয় জগতে।
পূর্ণ ঋণশোধের নির্দিষ্ট উপায়টা অন্ধকারেই রয়।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment