ঢাকনা দিয়ে কয়েদ করে ঝলমল রোদ্দুরে।
জীবনের অসহিষ্ণুতা কুমারী মেঘবালিকাকে -
করবে বাষ্পে পরিণত, যেন মনের কথা কে -
না বলতে পারার যন্ত্রনা প্রকাশ, যা কাঁচের -
জারের মধ্যে রয়ে যাবে যেমন আমরা -
রোজ নিজেদের কষ্টের করি বিষপান।
কাঁচের অন্তরদেওয়াল বেয়ে নেমে আসবে -
বাষ্পের জলবিন্দু যেমন অপ্রকাশিতব্য কষ্ট -
গলাতে দোলা পাকিয়ে নেমে এসে, বুকের -
ওপর এক গভীর, অনড় সমাধিরূপে।
ওই বন্দি মেঘের থেকে শিখতে চাই,
নিজের মেঘরূপী অস্তিত্বকে সময়ের -
সাথে অল্প অল্প করে পরিবর্তন করতে।
মেঘ কাঁদলেও, কাঁচের দেওয়াল সেটা -
বাইরের কাউকে শুনতে দেবে না।
এই সমাজে সবাই একাকী স্বচ্ছ -
কাঁচের জারে সয়ং বন্দী।
কিছুটা সময় ব্যাতিত হলে কাঁচের উপর -
থাকবে না অশ্রুর অবশেষ। অন্তরের -
অগুনতি নখের আঁচড় পাশের মানুষটি -
থেকে সফল ভাবে লুকিয়ে রাখা যায়।
দুঃখ হয় নদীর ন্যায় বহমান কিন্তু আবদ্ধ অন্তরে।
এই মানবজাতি খুব বিপত্তির মধ্যে পড়তো -
যদি মানুষের মন হতো কাঁচের মতন স্বচ্ছ !
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment