Saturday, November 29, 2025

OUR LIFE

In the silent dawn where hope begins,
Its knitted with others, strong and true,
like vibrant coffee, ready to brew.
on a solitary hope, our world spins.

Each life a color, bright and bold,
A story waiting to be told,
In community, we find our place,
A warm and welcoming embrace.

Together standing, hand in hand,
Across this vast and wondrous land,
Our voices rise in joyful song,
Where every heart and soul belong.

Feelings of empathy, small and grand,
We bridge the gap across the land.
Connecting hearts, near and far,
removing every doubt and scar.

In our society's warm, gentle fold,
all our individual stories are told.
The elderly with wisdom's grace -
and young ones running in their race.

In society's pure, hopeful light,
We find our aim and thus we fight. 
'The One Family' singing loud and strong,
where every voice and heart belong.

Thursday, November 27, 2025

চিন্তার বন্দি - sbmt

আমরা ধারণা এবং সময়ের বন্দী -

নিজস্ব বুদবুদের মধ্যে করি বাস ।


কেউ উপলব্ধি করে তা যৌবনে -

অন্যরা আজীবন রয়ে যায় বন্দি ।


রোজ আয়নায় দেখে নিজেকে -

সীমাবদ্ধ এক দৃষ্টিকোণ আছে মস্তিষ্কে। 


কাঁচের ওপারে দেখার নেই ক্ষমতা। 

নিজেদের বাইরে দেখার নেই দৃষ্টি। 


ধারণাগুলি রয় অতীতের বোঝা হয়ে ... 

অদৃশ্য বন্ধন ভাঙতে অনেকেই অক্ষম।


যুদ্ধ, দ্বন্দ্ব, অহংকার সবই অজ্ঞানতার বীজ -

প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব চিন্তা করেছে বন্দী।


সর্বত্রই অন্ধকার কুঠুরিতে বাস করে অস্থিরতা -

অশান্ত জীবন পায়না যে সান্ত্বনা খুঁজে। 



প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫



বন্দি রাজা

যথাযথভাবে মুকুট তাঁকে হয়েছিল পরানো। 

ছিলেন একজন ন্যায়পরায়ণ রাজা। 

তাঁর ভ্রুকুটি ছাড়াই হতো রাজ্যে ন্যায়বিচার। 

রাজসভার শিল্পীর কণ্ঠে হয়েছিলেন অমর।   


পুত্র, রানীতে সন্তুষ্ট, প্রজারাও ছিল খুশি। 

পুরো রাজ্য ছিল তার সুখের সংসার। 

তাঁর গৌরবময় দীপ্তি, উজ্জ্বল ঔজ্জ্বল্য -

ছিল রাজ্যজুড়ে খ্যাতি। 

শত্রুদের থেকেও পেয়েছেন সম্মান। 


কিছুকাল অতিবাহিত হয়ে একদিন,

তাঁর ক্লান্ত মুখে সূর্যের আলোয় চমকে উঠে ।

স্বপ্নময় জীবন আর নেই - এখন কারাবাসে।  

শেকলে বন্দি আছেন অন্ধকার গর্তে। 


শক্তি এবং অশ্রু উভয়ই ভূমিতে লুটিয়ে আছে। 

বিপথগামী মন্ত্রীর দ্বারা জীবনের এই উপহার। 

রশ্মি এখনো করে কারাগার আলোকিত। 

ক্ষুদ্র বাতায়ন নেয় তাঁকে অতীতের মননে। 

হাঁটু গেড়ে সে এখনো প্রার্থনায় লিপ্ত। 


Wednesday, November 26, 2025

তারারা সাক্ষী - SBMT

আকাশের তারারা নীরবে গায় গান,

বোঝা যায় না চোখে, ভরে দেয় মন প্রাণ।

দূরের আলো যেন চিঠি লিখে যায়,

ভালোবাসার কথা, চুপিসারে কয় !


তারাদের মিটিমিটি চাওয়া রাতের গভীরে,

মনে হয় আছে কেউ আমার হাতটি ধরে। 

একা পথ চলাতেও ভয় লাগে না আর,

তারারা তো আছে সাথে, বন্ধু আমার !


তাদের নীরব গানে, স্বপ্ন আঁকি যে আমি,

তুমি আর আমি যেন একই পথগামী ।

আলো ঝলমলে রাত, প্রেমের অঙ্গীকার,

তারারা সাক্ষী রবে, চিরকাল আমার।


জীবনের সূচিকর্ম - sbmt

 শান্ত ভোরে যেখানে দিন হয় শুরু -
একক সুতো ধরে রেখেছে পৃথিবীকে। 

সবার সাথে আছে বোনা শক্তিশালীভাবে,

একটি প্রাণবন্ত সুচিকর্মের টেপেস্ট্রি।

প্রতিটি জীবন একটি রঙিন, উজ্জ্বল -

ও সাহসী গল্প বলার অপেক্ষা রাখে। 


একসাথে দাঁড়িয়ে, হাতে রেখে হাত -

এই বিশাল আশ্চর্য ভূমি জুড়ে শুধুই আমরা। 

আমাদের কণ্ঠস্বরে ওঠে আনন্দের গান -

যেখানে অধিকারী প্রতিটি হৃদয় আর আত্মা। 

হাসির হলো বিতরণ, অশ্রু গেছে শুকিয়ে,

বিস্তৃত আকাশের নীচে আমরা -

দানের থেকে পাই অনেক বেশি। 

ঐক্যের মধ্যে আমরা শক্তি খুঁজে পাই। 


সম্প্রীতির একটি পৃথিবী তৈরি করে,

যেখানে পার্থক্যগুলি করা হয় উদযাপন। 

ভালোবাসার অবমূল্যায়ন হয়না কখনও । 

ছোট এবং বৃহৎ দয়ার কাজের মাধ্যমে,

সবাই ভূমি জুড়ে একটি সেতু তৈরি করি,

দূর এবং কাছের, উভয় হৃদয়কে করি ঐক্যবদ্ধ ।


Sunday, November 23, 2025

দুটি ফুল - SBMT

জবা গাছে দুটি ফুল, একই সাথে ফোটা - 
বন্য ও মুক্তভাবে একত্রে বেড়ে ওঠা ।
উপত্যকায় এলো ঝোড়ো বাতাস জোরে -
মৌমাছি আর প্রজাপতিরা সবাই গেল উড়ে। 

মৃদু পায়ে বসন্তের প্রথম বাতাস এলো,
উত্তরের সুবাস যে তারাই এনেছিল ।
সময়ের সাথে নবীনতায় হলো পূর্ণ -
কিন্তু সখ্যতা তাদের শীঘ্রই হলো চূর্ণ ।

দুটি ভিন্ন ঝুড়িতে তাদের হলো তোলা -
অনেক কথা রইলো, হলো না যে বলা। 
স্থান পেলো একটি ফুল পূজার থালিতে - 
বাসি ফুল পড়ে রইলো অজানা এক গলিতে। 


Sunday, November 16, 2025

বিশ্বাসের অনুভূতি - submitted

যন্ত্রণা'র ঢেউয়ের রয়েছে অনুভূতি -

উঠেছে ভেতরে ঘূর্ণির মতো পাক।

ঝড় এক ক্রোধের মতো উঠেছে বুকে -

যা চিরশান্ত হবে পবিত্র স্নানে ।


নদী-পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এসেছে, কুড়িয়েছে -

পাপ কতকাল ধরে রেখেছে নিজের মধ্যে । 

বহন করেছে বোঝা অজস্র মানুষের -

সবই উজাড় হবে সমুদ্রের বুকে। 


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 


দেওয়ালের ইতিকথা

কখনও দেয়ালে দিয়েছো কি কান,

কৌতূহলী হয়ে শুনতে, না বলা কথা ?

কেমন করে ওরা নীরবে থাকে ?

কীভাবে নিজেদের রেখেছে আবদ্ধ করে?


ওদেরও যে আছে কিছু বলার। 

বালিকণাগুলো ফিসফিসিয়ে কথা বলে -  

তৃষ্ণা শুধু মনের কথার সাথী পাওয়ার ।


ভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে আজ তারা -

একসাথে একান্নবর্তী পরিবার হয়ে দাঁড়িয়ে। 

সেই দূর দেশের গল্প আজও হয়নি শোনা।

আজ শুধু ওদেরই জন্যে কিছু সময় দেব। 


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 





ঘন্টাধ্বনি

দূর থেকে আসছে ঘণ্টাধ্বনি, মানবতাকে ডাকছে।

দেবদূত ডাকছে তোমাকে বিবেকে করছে আঘাত। 

'ঐক্যের বাতাস' আমার মুখমণ্ডলে পরিবৃত -

একটি শিশুর সরল শান্ত নিঃশ্বাস। 

উন্মুক্ত ব্রহ্মাণ্ডে ছড়িয়ে যায় সেই বার্তা -

যখন হাতের তালু ভিজিয়ে দেয় অশ্রুবিন্দু। 


কত আশা ভরা গৃহস্ত পুড়ে হয়েছে ছাই -

দাঙ্গা কেড়ে নিয়েছিল বাঁচার অধিকার। 

অন্ধ ক্রোধ, ঘৃণা দ্বারা নিহত হয়েছে স্বাধীনতা -

জীবন যে তাঁরই দেওয়া ছিল উপহার। 


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 





কাঁটাতারের বেড়া

মাটিতে রেখা অংকিত হলো -

দুই ভাইয়ের আলাদা হলো পথ ।

যেই হৃদয় স্নেহে আবদ্ধ ছিল -

তাঁরা এখন যে একাকী। 

মায়েরও হলো ভাগ !

বহু ঋতু এমনি হলো পার,

তাঁর চুলে ধরেছে পাক।


বিষাক্ত হৃদয়, অবজ্ঞার দৃষ্টি

অসংশোধিত রয়ে গেলো। 

তারের বেড়া এখনও আছে,

জীবনকালের চলার পথে। 

মায়ের প্রার্থনা অধরা রইলো -

সে আজ আছেন রূপার  কলসে। 


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 


Saturday, November 15, 2025

শক্তি - submitted

এক তমসা রাতে প্রচণ্ড ঝড় এলো। 

দানবীয় বটগাছ করলো লড়াই শুরু। 

কিছু ডাল গেলো ভেঙে, ছিঁড়ে গেলো বাকল।

বটবৃক্ষের চলতে থাকলো কঠিন লড়াই। 

নিজেকে শুধুই মাটিতে আঁকড়ে রাখলো,

অন্য গাছগুলো পরে গেলো মাটিতে ।


স্তম্ভিত ঝড় প্রশ্ন করলো গাছটিকে, 

‘তুমি কেমন করে হলে আত্মবিশ্বাসী ?’

বৃক্ষ বললো বিনয়ের সাথে, ‘প্রকৃতির -

আদেশ পালন করেছো তুমি।

তুমি ভাঙতে চেষ্টা করো, বাঁকাতে চেষ্টা করো

যদিও আমি জানি এখন আমার শেষ নয়'।


ভয়াবহ দিয়েছো দোলানি, দিতেই পারো - 

চালিয়ে যাও তোমারই এই চেষ্টা। 

সজোরে আছড়ে পড়ো, ডালপালা বাঁকিয়ে -

দেখাতেই পারো তেজ, পৃথিবীকে শুকিয়ে। 


আমার মধ্যে জানি, আছে কিছু মহীয়ান,

আমারই রন্ধ্রে রন্ধ্রে সে যে বিরাজমান। 

যতই আমায় তুমি এমনি আঘাত করো,

শক্তি সঞ্চয়ে তিলে তিলে হয়েছি বড়ো। 

জেনে রেখো, সব ঝড় ঝাপ্টা মাড়িয়ে -

অটল আমি, অবশেষে থাকবো দাঁড়িয়ে।


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 





নিপীড়ন - submitted

হয়তো ভুলেছে সূর্য ভোরের অন্ধকার। 

নদীর এই কুলের চাঁদ ছুঁয়েছে অন্য কূলে। 

কেন রবি এতো কালো, কেন হাহাকার?

এতো অশ্রু, এতো কষ্ট কি ভুলে গেলে?


কুকুরের হয় যেখানে অবাধ প্রবেশ,

আর কিছু মানুষের কোলে পায় স্থান। 

বৈষম্য, দ্বিচারিতা, কালিমায় ভরা ক্লেশ,

বহু যুগের লড়াই আজও হয়নি অবসান। 


নিয়েছে রক্ত, যা হাসপাতালে করেছি দান -

তবুও রাখা হয়েছে উঁচু স্তরের দরজা বন্ধ। 

ধিক্কার ! লজ্জিত মনুষ্যত্ব, এহেন অপমান !

হও স্বোচ্চার, নিশ্চিহ্ন হোক এই অসৎ দ্বন্ধ। 


শক্তির হচ্ছে প্রদর্শন, দুর্বলকে দমন করে -

রোষের অগ্নিশিখা আজও ধিকিধিকি জ্বলছে ।

অশুভ এই নিদর্শন আছে সমাজের সব স্তরে -

শিক্ষার জগতে এখনো যে বৈষম্য চলছে ।


নামাও টেনে ওদের, ভেঙে দাও প্রাচীর গুড়িয়ে -

অন্ধকার ঘরে আসুক আলো, দেখো চোখ মেলে ।

নারাও বৈষম্যের বটবৃক্ষ, পচা ঝুড়ি দাও মুড়িয়ে -

সব সবুজ হবে আবার রবির মুক্ত কিরণ পেলে ।


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫


Thursday, November 13, 2025

ঘাট

ধোঁয়া জলের উপর না ধরা দিয়ে নেচে বেড়ায়। 

মৃদু ঢেউ একই প্রকার অনুকরণে চলে। 


সব যে ক্ষনিকের আঁখির আনন্দ খোরাক। 

কোনো মুহূর্ত স্থায়ী নয়, যদিও তাতে -

কারোর কিছু এসে যায় না। 


যেই তরঙ্গের এখন হলো জন্ম -

নিমেষের তার অস্তিত্বের হয় শেষ। 

প্রকৃতির এক নিয়মিত খেলার অংশ।


আরতির ধোঁয়া যা মনোরম সুবাসে করে -

সবাইকে করে মুগ্ধ ও ঈশ্বরের প্রতি -

মনোযোগী, সেও যে আকাশচুম্বী হয়ে -

নিজের আকৃতি কে ব্রহ্মাণ্ডে দ্যায় বিসর্জন। 


চঞ্চল ঢেউ ধোঁয়াকে আলিঙ্গন করে -

চিরকালের বিদায় জানানোর জন্যে। 


ওহ! কি নিদারুন আনন্দ ও কষ্ট -

মিশ্রিত সেই ক্ষণ যা ঢেউয়ের হৃদয় -

কে করে নির্বাক ও শ্বাসরুদ্ধ। 

ধোঁয়া আকাশে নিজের পথেই হয় অদৃশ্য ।


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 


ন্যায্য যুদ্ধ

বলছি শোনো, এই খাঁচাটি ভেঙে ফেলো।

এর সময় হয়েছে শেষ, নেই কোনো মর্যাদা। 

বলছি শোনো, একটি নতুন পৃষ্ঠা উল্টে দাও। 

এক নূতন ন্যায্য যুদ্ধ করতে হবে শুরু। 


এখন নয় বাকরুদ্ধ, শ্বাসরুদ্ধ হওয়ার সময়। 

তৈরি হবে ইতিহাস, নবরূপে অলংকৃত। 

নিয়তিও করবে কাল এর পৃষ্ঠায় নূতন লিখন। 

এই সময় সঙ্গবদ্ধ হওয়ার, একসাথে চলার। 


এখন সময় এসেছে 'ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধের'। 

অযোগ্য শত্রুরা যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত -

তাহলেই আমরা কেন হবো না?

কিছুই আটকে রেখো না, মেন না বাধা।


ডানা না থাকুক, তবুও তুমি উড়তে পারো। 

এটি একটি অসত্য কিন্তু মিথ্যা নয় !

দৃঢ় বিশ্বাস যা আমরা মেনে চলি। 


এ সেই অবিনশ্বর মশালের অগ্নিশিখা -

যা জ্বলছে আর পরের প্রজন্মের হাতে -

তুলে দিয়েই হবে পৃথিবী থেকে বিদায়। 


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 


খনির শ্রমিক

গভীর স্যাঁতসেঁতে সেই গর্ত,

তীব্র তাপের মধ্যেই তার অস্তিত্ব। 

অন্ধকার এই খনি প্রতিফলিত করে -

কর্মরত শ্রমিকের ভবিষ্যতের দিকে । 


গভীর, আলোক ব্যাতিত গহ্বরে -

প্রতিনিয়ত নেমে উদ্ধার করে আনে -

মূল্যবান সামগ্রী যা তাঁদের অধিকারের -

গন্ডির বহির্ভূতই থেকে যাবে চিরকাল। 


কৃত্রিম আলোর মাঝে যাদের দিনযাপন -

তাঁদের ভাগ্যে জোটে না রবির দর্শন। 

জীবনের অনিশ্চয়তা নিয়ে অর্থ উপার্জন,

সংসারের দায়িত্ব, পরিবারের আশা পূরণের -

যুদ্ধে এদের বিশ্রামের নেই অবকাশ।


প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৫ 





Tuesday, November 11, 2025

OH! AFRICA!

Let me race like the moonlight stream -
spreading the innate floral essence along.
The day when all the buds would bloom -
lulling one towards an intoxicating joy.
Sky would be full of life - Blue Africa!

All the birds of your golden horizon -
your mind will take to flight in silent joy.
I miss your grasslands, calls of the fawn.
Birds wud' return to canvas treetops,
with cackling of the hyenas - Dear Africa!

Sun peeps through the pores of my mind -
a sponge of my dreams, my imaginations.
Rains got sucked in cracked 'n' scorched earth -
like the empty bellies of the dark skinned -
by hunger that outshamed all - Dark Africa!

Seedlings holds a promise, not kept till date -
while the water like mirage eludes thru' ages.
The seat of power, the throne of the lion -
kept under foot in chains by 'whites of the west'.

Let the light shine on the parched earth -
and springforth a fountain of hope. 
I would embrace the realisation of my dream, 
fill the bony and skinny tummies...
Oh! Africa! Africa of my past dreams...

Prasenjit©1997-2025

Monday, November 10, 2025

পরিত্যক্ত ফল

অনেকের সাথে আমার জন্ম এক বাগানে -

প্রতিশ্রুত মিষ্টি এবং মনোরম রঙের।

বীজ থেকে অংকুর হয়ে পাপড়ি ছড়িয়ে, 

আমি প্রতিটি প্রত্যাশীর মতো একটি -

সাধারণ সুন্দর স্বপ্ন দেখেছিলাম। 


আমি বৃষ্টি, শিলা, রৌদ্র, খরা, ঝড়ের -

সাথে মুখোমুখি হয়েছি বহুবার। 

স্বপ্নের মতো ছিল এই অভিজ্ঞতা। 

ছিল সে অনেক মজার আমার বেড়ে ওঠা। 


ভাগ্যের বিদ্রুপে এলো এক নতুন বাঁক। 

আমার আত্মার পবিত্রতা, হয়তো আমার -

স্রষ্টার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি এই জন্মে। 

ধরণীর বুকেই পেলাম শেষ ঠাঁই।

 

হলো ত্বক ক্ষতবিক্ষত, দেখলো না কেউ, 

শুনলো না আমার বিধাতা, আমার ঈশ্বর !

কান্নায় করেনি কর্ণপাত, দেহের জ্বালা, কেউ -

দেখতে চায়নি, স্বীকৃতি হারালাম সেইমুহূর্তে। 


সমাজের অনেক অভূত প্রাণের মতনই -

আমি জায়গা পেলাম নোংরা বর্জনের স্থানে।

চোখের জলের অধিকার, প্রতিবাদের অধিকার -

এই অসম সমাজে সবার জন্যে নয় ।


প্রসেনজিৎ দাস©১৯৯৭-২০২৫


Sunday, November 9, 2025

খাপবন্দি তরোয়াল

মিউজিয়ামের হলঘরটি আবছা আলোয় ভরা,

প্রতিধ্বনিত হচ্ছে চারদিকে নীরবতা।

এটি রাজকীয় আচার-অনুষ্ঠানের দৃশ্য নয়,

ইতিহাস রাজকীয় আবদ্ধতায় কাঁদছে।


তবুও তরবারিটি এখনও মরিচা ধরেনি। 

রয়েছে সোনার হাতলটি পূর্ণ গৌরবে।

বীরত্বের গল্পগুলি পুনরুজ্জীবিত করার -

সময়ে তার মহিমা অনুভব করা যায়।


দশক পেরিয়ে চলছে, শতাব্দীও হচ্ছে অতিক্রম -

এখনও তাঁদের খাপে তরবারিগুলি রয়েছে।

জীবন এগিয়ে যাওয়ার সময় খ্যাতি, বীরত্ব -

নিয়েছে এক স্থানে নিজের নির্দিষ্ট আসন। 


তরোয়াল নিজেকে রেখেছে বন্দি করে। 

তার যে বেরিয়ে আসার আছে প্রয়োজন। 

অনেকটা সময় ধরে রয়েছে তৃষ্ণার্ত,

বহু যুগ অনুভব করেনি শত্রুর শেষ নিশ্বাস । 


আজ শত্রুরা আছে সীমানার ভেতরে। 

এখন প্রয়োজন এলাকাভিত্তিক রণক্ষেত্র। 

অন্যায় কে দমনের, ভুল কে সংশোধনের,

তরোয়ালের প্রতিজ্ঞা পূরণের এসেছে সময়। 


প্রসেনজিৎ দাস ©১৯৯৭-২০২৫