গভীর সমুদ্রের গল্প বলে সমুদ্রতটকে।
অনেকটা মাঠে খেলতে যাওয়া বাচ্চা -
যেমন দৌড়ে বাড়ি ফেরে মায়ের আঁচলে।
সন্ধ্যাবেলায় গল্প চলে এই বাহারি দুনিয়ায় -
বাচ্চাটি কি কি দেখতে ও জানতে পেরেছে।
ভূমিমুখি ঢেউ, নোনা সমুদ্রতট রোজ একই -
সাথে দেখে সূর্যের অস্ত যাওয়া পশ্চিমের দেশে।
সময়কালে কিছু ঢেউ নতুন তটের খোঁজে -
পারি দেয় সমুদ্রের বিপরীতমুখী তটের দিকে।
একলা পরে থাকা বালুকালয় খুঁজে বেড়ায় -
নিজের লালন করা সেই শিশুসুলভ ঢেউ।
এই তট আজও সূর্যাস্ত দেখে একলা।
আকাশে মাখা শুভ্র লালিমা চোখ ঝলসে দেয়।
বুকে বাঁজে শুধু হাহাকার এই জেনে, যেই সূর্যাস্ত -
এখন সে রোজ একা দেখে, সেটাই কিছুটা সময় -
পর ওই ভিনদেশী তটে সূর্যোদয় হয়ে উঠবে।
কখনো এই ঢেউগুলো অনেক সম্ভার নিয়ে ফেরে -
সুনামির ন্যায়, আছড়ে পড়ে সেই নিজের বালুকালয়ে -
কিন্তু ততদিনে থাকে না আর সেই আগের সমুদ্রতট।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment