আশান্বিত মন আর ক্লান্ত কৈশরীয় ভালবাসা -
আঠারো বছর বয়সের এক অনন্য উপাদান।
চঞ্চল মন ভুলে যায় স্থিরতা; স্থিরতা? সে থাক!
মেঘ রঙিন হতে সময় নেয়, সে নিক; সব ভালো -
পরিণতি, এক দীর্ঘ অপেক্ষার পরীক্ষায় জড়ানো।
শুধুই কি পিপাসার্ত খোঁজে তৃষ্ণা মেটানোর সুধা?
মরুদ্যানের কাছেও এই প্রশ্ন রাখা হয় ইশারায়!
নীল আকাশেকে সাক্ষী রেখে, উত্তরের ধুলোঝড় -
নিয়ে এসেছিল পথ হারানো যাযাবরের বার্তা।
উত্তাল ঢেউ কি শুধুই মহাসাগরের অধিকার?
দেহের ঘেরাটোপে আবদ্ধ এই মনে, বহু মহাসাগর -
নিজের ঠিকানা হারিয়েছে, হয়তো হারাতে চেয়েছে -
বললে সম্পূর্ণ সত্যি বলা হবে। অগ্নিসম উত্তাপের -
মাঝে নিজের অস্তিত্বকে ধরে রেখে, চঞ্চল -
আকাঙ্খা'র সংযমকে, বেঁধে রাখার মিষ্ট অস্থির -
যন্ত্রনা, একমাত্র অপেক্ষারত মরুদ্যান জানে।
এক সপ্তাহের নিয়মিত মূক অবস্থানে, একে অপরকে -
দেখে এক লজ্জান্বিত হাসি বিনিময়ের কিছুদিন পর,
সেই রমণীর ছাদ থেকে শোনা যেত রোমান্টিক গান।
রফি সাহেবের প্রশ্নের উত্তর, আসতে শুরু করে -
পাশের ছাদ থেকে, লতাজি'র কোকিল কণ্ঠে ।
মাঝে মধ্যে, দুটো ছাদের ব্যবধান কে তুচ্ছ করে,
বিনা মেঘে শিলা বৃষ্টির ন্যায়, পৌঁছে যেত পাথরে -
মোড়ানো চিঠি।
শহরে তখন শীত প্রবাহমান, কিন্তু ওই দুটি ছাদ -
উষ্ণ তাপের পরিধির মাঝে সুরক্ষিত। রামধনুর রং -
হয়ে উঠলো অনেক গাঢ়, চিঠির ব্যাপ্তিও বৃদ্ধি পেল।
পৌষের প্রশ্নের চিরস্থায়ী উত্তর এলো মাঘের শুরুতে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment