জীবনের ঢেউয়ে পেয়েছি, দু’হাত ভরে শূন্য -
ফেলিনি কিছুই, সবই যে ছিল আমারি জন্য।
জীবনের উচ্ছাসে ওঠা, প্রতিটি দীপ্ত জলবিম্ব -
এরা অসম্পূর্ণ এক স্বপ্ন কাহিনী’র প্রতিবিম্ব।
ভাড়ার আমার উপচে গেছে, বহু শুন্য দিয়ে -
চলছি 'এক'-এর খোঁজে, ঠিকানা বুকে নিয়ে।
'এক'-কে পেলে হতাম আমি, সর্বকালের ধনী -
শূন্য নিয়ে আমার, এক অনন্য জীবন জানি।
দু'চোখে এক-কে দেখার, এখনো হয়নি ভাগ্য -
হইনি তো উত্তীর্ণ, আমি এখনও রয়ে অযোগ্য।
বৃক্ষচূত পত্রের দল আজ, মূল্যহীন বৃক্ষের কাছে -
একক পরিচয় ছিল যারা, আজ শূন্য হয়ে আছে।
আমি যে এমনি অনেক, 'এক' বিলিয়েছি কতো -
মাত্রা ছাড়িয়ে বহু শূন্য, আজ জমেছে তাই এতো।
এই জীবনে সবটি পাওয়া, নাইবা হলো এবার -
এতো শুন্যে'র সম্পদ, থাকে না ভাগ্যে সবার।
ঘর পেলো না যেই ইচ্ছেগুলো, গৃহহীন তো নয় -
সব পেলে যে জীবন, বিষাদ-শূন্য হওয়ার ভয়।
তুষ্ট থাকতে শিখছি আমি, নিয়ে আছে যত শূন্য -
'এক' থাকুক সবার কাছে, বাকি শুধু আমার জন্য।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment