তবে সেই সাধারণ চিকমিকে বালুকার সমষ্টি নয়।
ভাবছো মরুভূমিতে দেখার কি থাকতে পারে?
হাত ধরে এগিয়ে যদি চলো, জীবনের সমস্যার -
প্রখর উত্তাপ যদি অনুভব করো, দেখবে একসাথে -
পথ অতিক্রম করলে তপ্ত বালি কষ্ট দিতে অক্ষম।
মরুর প্রান্তরে দেখাতাম স্বপ্নের নীল আসমানী সমুদ্র!
ইচ্ছে হয় মাঝে মধ্যে তোমায় বলি ঢেউয়ের গল্প,
তবে ওদের বালির চড়ে সাধারণ আছড়ে পড়া নয়।
ভাবছো নোনাজলের কাহিনী কি বা হতে পারে?
পশ্চিমা প্রান্তর থেকে একনাগাড়ে ছুটে এসেছে,
ওরা বিশ্রামহীন, ধাবমান, অনন্তকাল ওদের চলাচল।
ঢেউ লুটিয়ে পড়ে শেষ বার্তা দিয়ে করে মৃত্যু বরণ।
প্রতিটি জলের বুদবুদ বলে তাদের অক্লান্ত যাত্রা’র -
অবহেলিত, নাম-না-জানা, তুচ্ছ অবদানের সংবাদ!
ইচ্ছে হয় মাঝে মধ্যে কিছু ইচ্ছে যদি পূরণ হতো,
তবে আকাঙ্খা অপূর্ণ হলে জীবন মূল্যহীন, তা নয়।
কারুর সারা জীবনে আকাশকে মুঠোয় বন্দি না -
করতে পেরে যেমন আক্ষেপ হয়, তেমনি কেউ -
খোঁজে শুধু একখণ্ড শক্ত ভূমি অস্তিত্বের জন্যে।
না পেলে উভয় শ্রেণী হয় আশাহত। নাই বা হলো,
স্বপ্নের আকাশ নীলিমায় নীল। একটু ধূসর রঙ -
এনে দেয় এক ভিন্ন মাধুর্য চলার পথে। নাই বা -
আগলে রাখা গেল মুষ্টিমেয় কিছু শীতল শিলা।
আশা পূরণের ভাগ্য, কতজনের জীবনের তপ্ত -
মরুতেই বা নিজেকে উজাড় করে বিলিয়ে দেয়।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment