অপেক্ষারত অসহিষ্ণুতার আনন্দ জানে শুধু গাছ,
যে করেছে বসন্তের প্রথম ফুলের অপেক্ষা, নিজ -
ডালে ঝড়া পাতার মরসুম পার করে এসে।
প্রথম কুঁড়ি ফুটে ওঠার অপেক্ষা, মন কে দেয় -
শূন্য থেকে সৃষ্টি হওয়ার, এক অনন্য অনুভূতি।
বর্ষার পূর্বে, নীল আকাশের তপ্ততায় ঝলসানো -
শ্যামল পাতার উদগ্রীব হওয়া প্রথম জলবিন্দুর -
স্পর্শ, এনে দেয় এক অদ্বিতীয় মাধুরী।
প্রেমপত্র লিখনে প্রতিটি শব্দের অপেক্ষা থাকে -
তার পরবর্তী প্রতিবেশী শব্দের। শব্দের চেয়ে -
থাকা সময়ের দিকে, পুরো বাক্য শেষ করার।
একটি পূর্ণ চিঠি, লেখা শেষ করলেই হয় তা নয়।
সে শিখরে পায় স্থান, যখন এসে পৌঁছোয় উত্তর!
অপেক্ষার মিষ্ট যন্ত্রণা জানে, কৈশোরের ভেলায় -
ভেসে বেড়ানো প্রেম কাতর কোন ছেলে-মেয়ে।
দেখা হওয়ার থেকে বেশি রোমাঞ্চকর, সেই মনের -
মানুষের জন্য উদগ্রীব হয়ে শূন্য আকাশ দেখা।
ভালোবাসার ভেসে বেড়ানো মেঘ একত্রে এলে,
হয় দীর্ঘ ছটফটে মনের অপেক্ষার অবসান।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment