আস্থা’র প্রহরীদের কখনও, ভরসা পাওনি তুমি।
অসীমের প্রান্তে ছিল, তোমার বিরল আঁখির দ্বন্ধ,
বিশ্বাসের গৃহে তোমার, ছিল মনে’র জাফরি বন্ধ।
ভালো হলো, আমরা স্বেচ্ছায় ভিন্ন পথেই চলি,
স্বচ্ছ মনের শত্রু ‘গুজব’, একপাশে ছুড়ে ফেলি।
হতে পারতে হীরের ছটা, তবুও পাথর হয়ে গেলে,
নিয়েছ সবই তবে, অবিশ্বাস রেখে গেছ ফেলে।
রয়েছে এক বন্ধ ঘর, সেও তোমার থেকে পাওয়া,
কিছু চূর্ণ আশার স্তূপ, সময়ের চাদরে ঢাকা দেওয়া।
গল্পের মাঝে নতুন মানুষ, আমি আজো চিনতে চাই,
সাথ দেয়নি ভাগ্য, আমি আজো মুখোশ খুঁজে পাই।
ভালোই তো হলো পরিচয় হয়ে, আমাদের এক কালে,
মুখোশধারীদের চিনতে পারা, আমায় শিখিয়ে গেলে।
নিজেকে সদাই ধন্য মানি, সে আমি যতই হই নিঃশ্ব,
পাবো না কোথাও এমন শিক্ষা, আমি ঘুরে সারা বিশ্ব।
মেঘ বলে তার মনের কথা, নীল আকাশের টানে,
সুর যে সব হয়না গাওয়া, একটি জীবনের গানে।
তুলা মেঘের ঝরে না ধারা, কোনো শুষ্ক ভূমি'র স্তরে,
একাকী তার উড়ে চলা, এই জীবনের তপ্ত চরাচরে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment