তবে সেই কৈশোরের অপ্রকাশিত শব্দে নয়।
ভাবছো ভাঙাচোরা অগোছালো অসমাপ্ত বাক্য?
না না, তেমন নয়, অনেকটা সময় পার করে,
এখন মনে হয়, ছোট ছোট বাক্যগুলো লেখনে -
খুব সহজে মন থেকে কাগজে পাবে তার স্থান।
ইচ্ছে হয় মাঝে মধ্যে পাহাড়ে, রাস্তার উর্ধমুখী -
বাঁকের সেই প্লাস্টিক আর শালকাঠের তক্তা দিয়ে -
বানানো চায়ের দোকানে গিয়ে আগের মতন, এক-
সাথে পাশাপাশি বসে মাঠির খুঁড়িতে চুমুক দিই।
কুয়াশা ঘেরা বিপরীত দিকের চূড়া দেখতে দেখতে,
দেহ পাবে এক শারীরিক উষ্ণতা, মন পাবে পূর্ণতা।
ইচ্ছে হয় মাঝে মধ্যে তোমার সাথে ছুটির দিনে,
তোমাকে সময় দেব, এক অলিখিত মৌনতায়।
আমরা কে কেমন আছি, সরাসরি এক অপরকে -
জিজ্ঞেস করব না। তুমি খোপা খুলে, চুলের গোছ -
বেঁধে এলিয়ে দেবে বুকের বাঁদিকে। কালো বিনুনি -
দেহের বাঁক বেয়ে নেমে আসবে, যেন এক কুমারী -
পাহাড় থেকে স্বতঃস্ফূর্ত চঞ্চল ঝর্ণা ঝরে ভূমিবক্ষে।
বুকের ওপর পিঠ ঠেকিয়ে, জানালার বাইরে দূর -
অবস্থিত, হেমন্তে রিক্ত হওয়া শিউলি’র গাছ দেখবে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment