Friday, April 24, 2026

জানলো না

জানলো না কখনও রাত, ভোরের আলোর আমেজ।

প্রতিটি তোমোসিনী রাত্রি নিজ সম্ভার তুলে দেয় -

আগামী অপেক্ষারত ভোরের আলোর কাছে।

চেয়েও সে দেখতে পায় না, কেমন করে রোজ -

সকালের আরমোড়া ভেঙে পৃথিবী বক্ষে প্রথম -

আলো নিজ রূপের করে অপার বর্ণনা।


জানলো না কখনও ভোর, রাতের নিস্তব্ধতার -

মাধুরী। নিকটে বসে থেকে, বন্ধ আঁখি প্রেয়সী’র -

অমলিন মুখমণ্ডলের সৌন্দর্যকে নিজের মধ্যে,

এক ভালোলাগার আমেজে বৃদ্ধি পেতে দেওয়ার -

এই অনুভূতি থেকে ভোর রয়েছে চির বঞ্ছিত।

জীবনে আলো ছায়ার সহবাসের এটাই বিড়ম্বনা।


জানলো না কখনও গাছের ছাল, বৃক্ষের নরম -

অন্তরে ধাবিত হওয়া চঞ্চল প্রাণসঞ্চারের কাহিনী।

আজ যে অপাংক্তেয়, বহিরাগত, সেও ছিল এক -

সময়ে বহু আকাঙ্ক্ষিত প্রাণবন্ত জীবন শৈলীর -

কেন্দ্র বিন্দু। শিশুর বার্ধক্যের পথে বেড়ে ওঠার -

গল্প যেমন সে নিজে মনে রাখতে পারে না, ঠিক -

তেমন পরিণতি বার্ধক্যে পৌঁছে শৈশব ভোলার। 



প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬


No comments:

Post a Comment