প্রতিটি তোমোসিনী রাত্রি নিজ সম্ভার তুলে দেয় -
আগামী অপেক্ষারত ভোরের আলোর কাছে।
চেয়েও সে দেখতে পায় না, কেমন করে রোজ -
সকালের আরমোড়া ভেঙে পৃথিবী বক্ষে প্রথম -
আলো নিজ রূপের করে অপার বর্ণনা।
জানলো না কখনও ভোর, রাতের নিস্তব্ধতার -
মাধুরী। নিকটে বসে থেকে, বন্ধ আঁখি প্রেয়সী’র -
অমলিন মুখমণ্ডলের সৌন্দর্যকে নিজের মধ্যে,
এক ভালোলাগার আমেজে বৃদ্ধি পেতে দেওয়ার -
এই অনুভূতি থেকে ভোর রয়েছে চির বঞ্ছিত।
জীবনে আলো ছায়ার সহবাসের এটাই বিড়ম্বনা।
জানলো না কখনও গাছের ছাল, বৃক্ষের নরম -
অন্তরে ধাবিত হওয়া চঞ্চল প্রাণসঞ্চারের কাহিনী।
আজ যে অপাংক্তেয়, বহিরাগত, সেও ছিল এক -
সময়ে বহু আকাঙ্ক্ষিত প্রাণবন্ত জীবন শৈলীর -
কেন্দ্র বিন্দু। শিশুর বার্ধক্যের পথে বেড়ে ওঠার -
গল্প যেমন সে নিজে মনে রাখতে পারে না, ঠিক -
তেমন পরিণতি বার্ধক্যে পৌঁছে শৈশব ভোলার।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment