তবে বাল্যকালের লুকোচুরি নয়, যে অগ্রিম -
জানান দিয়ে তারপর নিজেকে লুকোবো। কিছু -
মানুষ হয়তো কিছুটা দিন আমায় খুঁজবে আর -
তখন, আমি অত্যন্ত স্বার্থপরের মতন মগ্ন থাকব -
একটু শান্তির খোঁজে; মন যে অন্য কিছু চায়না!
এমন নিপাট শান্তি, যা মন কে করবে ভারশূন্য,
এক সদ্যোজাত শিশুর ন্যায়।
ইচ্ছে হয় মাঝে মধ্যে কিছু শিলা জমিয়ে রাখি,
ভবিষ্যতের শীতল বৃষ্টির সাথে ওদের হবে পরিচয়।
বাবা মায়ের থেকে যেমন বাচ্চা বড় হওয়ার সময় -
শোনে তাদের জন্মের পূর্বের জীবন কাহিনী।
বৃষ্টিও জানবে কতটা কঠোর, হিমেল পথ পার -
করেছিল আকাশ থেকে ধেয়ে নামার সময়কালে।
সবার জীবন, জলধারার মতন সাবলীল ও স্বচ্ছ -
হয়না; কারুর জীবনকাল রয়ে যায় জমাট ও কঠিন।
ইচ্ছে হয় মাঝে মধ্যে পাহাড়ের উর্বর ঢালানে -
একটি তাবু খাটিয়ে সেখানে প্রকৃতির কোলে থাকি।
শুনবো তমসায় শিশির বিন্দুর ঠিকরে পড়ার ধ্বনি,
যা অন্তরে প্রতিফলিত হবে অনন্য শান্তির কম্পনে।
রবির সাক্ষ্যে পাহাড়ি বাতাসের নম্র আর্দ্রতা দেবে -
এক প্রতিশ্রুতি; প্রতিটি অদৃশ্য জলকণা সারাদিন -
ধরে একত্রে নেমে আসবে তামসী একাকী রাত্রে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment