আমি নিতান্তই অবাক হয়ে ভাবি, এখন কে এলো।
চোখে গভীর ঘুমের ছায়া বর্তমান, যেমন সন্ধ্যাবেলা
অনেক সময় পূর্ণিমার রূপালী ছটা ঢাকা পড়ে -
ঘন কালো মেঘে, চাঁদ হয়ে যায় অসহায়।
তাঁও উঠলাম মনের তাগিদে, কেও এসে দাঁড়িয়ে -
আছে সেটা ভাবতে অস্বস্তি বোধ হয়। উঠে দেখি,
চারিদিক অন্ধকার, যেন গভীর অন্তহীন ঘুমের -
দেশে করছি বাকি জীবনের জন্যে বিচরণ।
দরজার সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কে’?
কোনো সাড়া পেলাম না। বিব্রত হয়ে আরও একটু
জোরেই প্রশ্ন করলাম, ‘কে আপনি’? উত্তর না -
মেলায় দরজা খুলে দাঁড়ালাম। দেখি কেও নেই।
আশ্চর্য লাগলো কারণ নাড়ার আওয়াজ আমি -
স্পষ্ট শুনেছিলাম।
দরজা বন্ধ করে ঘুরে দাঁড়াতেই, আবার সেই -
পরিচিতি গলায় ডাক, ‘বাড়ি আছো’?
ঘুম ভাঙলো। স্বপ্নের বন্দিদশা থেকে হলাম মুক্ত।
বোধ হলো যে, জীবনের অমূল্য অতিথি ‘সময়’
কড়া নেড়ে গিয়েছিল অসময়ে, এটা বোঝাতে যে -
প্রবাহমান সময় ফিরে আসে না, এগিয়ে চলাই -
হলো জীবন।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment