ছিল না কোনো দ্বন্দ্ব, বৃষ্টি ভেজা শীতল সন্ধ্যায়।
হাওয়া পেয়েছিল তার নিজ উন্মুক্ত সুখের উড়ান,
সেদিন উত্তরের বাতাস হয়েছিল দক্ষিণমুখী ঝড়।
অলসতা নিয়েছিল ছুটি, বর্ষণের তারুণ্য চঞ্চলতায়,
বহমান সময় কখনও ক্ষণিকের জন্যে স্থিরতার
দায়িত্ব পালনে অভেদ্য পাথররুপী স্মৃতির শিলায়
নিজেকে লুটিয়ে দিয়ে, মনের দরজায় কড়া নাড়ে।
স্মৃতির ফুলদানিতে আনন্দ উচ্ছাসের বারিধারা
ইচ্ছের পুরোনো পাপড়িগুলোয় করে প্রাণ সঞ্চার।
দেখা যায় অনেকটা ফ্যাকাশে হওয়া, মুর্ঝা যাওয়া
শুষ্ক মনের কোটরে ধরা দেয় এক আর্দ্র অনুভূতি।
উচ্ছল বৃষ্টির কণা, মনের আয়নাতে তৈরি করে না
কোন প্রতিবিম্ব। মনের উচ্ছাসের ছবি ফুটে ওঠে
ধীরে ঝরে পরা জলবিন্দু’র নির্মিত কল্পনার হ্রদে।
নির্বিকার একাগ্র চিত্তের মন, নিজেকে করে বন্ধক
বর্ষার সন্ধ্যায় এক পেয়ালা চা, কলম, কাগজ ও
কাব্যিক চিন্তার উন্নমন স্রোতে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment