অনেকটা দূরে ইচ্ছে করে বেরিয়ে পরি জীবনের
মানাগুলো মানব না আর। সমাজের নানা রকমের
মানা দেখেছি, সমাজের ‘হ্যাঁ’ আজ অবধি পেলাম
না। জীবনের অনেকটা ‘না’-এর বোঝা এখন
নামিয়ে চলার সময় এসেছে।
সময় আগে থেকেই ছিল নিজেকে স্বাধীন করার।
আমিই নিজেই ছিলাম এই অদৃশ্য মূল্যহীন নিয়মের
যাঁতাকলে বন্দি। সমাজের নিয়ম, সমাজের মানুষ
কে অধীনতার মধ্যে আবদ্ধ রাখলে, সেই নিয়ম তো
বিষবাষ্প ভরা বেলুনের মতো, দেখতে ফলা ফাঁপা
কিন্তু কোনো কাজের নয়।
সমাজের নিয়ম ভেঙে দিলে যেমন একটা প্রতিবাদী
ফিসফিস সোনা যায়, দেখা যায় ক্রুদ্ধ ভ্রুকুটি, ঠিক
তেমন বিষাক্ত গ্যাস বেলুন থেকে বের করলে
কিছুটা সমাজ বিচলিত হবে ঠিকই, কিন্তু তারপর
স্বচ্ছ বায়ুতে পরবর্তী প্রজন্ম নেবে স্বস্তির নিঃশ্বাস।
কোনো একটা প্রজন্মকে, এই হাওয়াতে বানানো
জেলখানার তালা ভাঙতে হবে। একজনের জীবনে
করা ত্যাগ পরের প্রজন্মকে একটা সুন্দর স্বাধীন
জীবন দিতে পারে। সমাজের বিদ্রোহের ইতিহাসে
এমন স্তবক বারংবার লেখা হয়েছে আর হবে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment