কাছে। সুখ খুবই ব্যাস্ত বুঝি; এতটাই যে কখনও
এসে কড়া নেড়ে থাকলেও অগ্রিম জানান দেয়নি।
আমিও হয়ত বুঝতে পারিনি।
বন্ধু এসে ফিরে গেছে জানা গেলে তাকে মানিয়ে
বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনা যেতেই পারে, সেটা সম্ভব।
সুখ যে পেছন পা হেঁটে আর ফিরবে না। জীবনের
‘ওয়ান ওয়ে’ রাস্তা ধরেই সে এগোয়। যদি কারুর
কাছে সে এসে ক্ষণিকের নেয় বিশ্রাম, তাহলে সুখ
তারই অতিথি - হোক না সে ক্ষণিকের, ক্ষতি কি?
মনের জ্বর রয়ে যায় অনেকটা সময়। ধীরে ধীরে
সে করে গ্রাস মনের অন্দরমহলে। মস্তিষ্কের গবাক্ষ
যে আশার আলো কে ডেকে আনতে চায়, তাকেই
ঢেকে দেয় ভাগ্যের যবনিকা। করুন কাকুতি মিনতি
সবই চাপা পরে যায় অসহায়তার পর্দায়। কখনো
এমনও হয় যে চাপা ইচ্ছের ওপর থেকে পর্দা
সরিয়ে একরাশ স্মৃতির ধুলো উড়িয়ে বুঝতে পারি,
সুখ এসেছিল, তার ডাক আমি শুনতে পাইনি।
সে রেখে গেছে তার অমলিন বার্তা।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment