অনেক চেষ্টা করেও তাকে, পারিনি আমি আঁকতে।
মায়া’র আছে ভিন্ন দিক, নাড়ীর আছে অসীম রূপ
ঋতুর মতন চঞ্চলতায়, কখনও বা সে একদম চুপ।
ছায়া ছাড়ে সঙ্গ রাত প্রহরে, মায়া রয়ে যায় স্থির
হই একাকী ছায়া ছাড়া, মায়া তবু ধৈর্য ধরে ধীর।
চলছে দেহ শ্বাসে, তারেও যায় না কখনো দেখা
বক্ষে বাঁধা স্পন্দন কত, এদের নিয়ে হয়নি লেখা।
মেঘ উজাড় করে বর্ষালো, সুন্দর শ্যামল গালিচায়
মৃত্তিকা নিল শুষে, কোমল বিন্দু মনের আঙিনায়।
দুর আসমানি বারিদ, নিজেকে শুধুই দেয় বিলিয়ে
রবির মায়া ত্যাগে, কালো অন্তরালে যায় মিলিয়ে
মায়া’র ছায়া দেখি, নিজের কলম, কবিতাগুচ্ছতে
চিন্তায় জন্মানো অক্ষর চায় নিজের রূপে সাজতে।
পৃষ্ঠাবন্দি মনের কথাগুলো, সময়ে অতীতে মেলাবে
নব ভাবনা কলম দ্বারা, বিদ্রোহের মশাল জ্বালাবে।
কিছু বছর হবে হয়তো, আমি রয়ে যাব ছায়া হয়ে,
লেখকের পরেও তার লেখনীর, মায়া যাবে রয়ে।
চাইনা আমায় কেউ রাখুক মনে, ধরণী ছাড়ার পরে
আমার জীবনের গল্প বাঁচুক শ্রোতাদের বক্ষ জুড়ে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment