চলতে পারার মাহাত্ম্য। রাস্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে
বাঁকগুলোকে পার করা, যেন লোভ সম্বরণ করা।
ওরা হল সংযমের প্রশিক্ষণ জীবনে চলার পথে।
এখানে ভুলত্রুটির কোন অবকাশ নেই।
উড়ো মেঘেরও পথে ঘটে বিচ্যুতি, এই গোলকের
শ্যামল আস্তরণের ওপর আত্মসমর্পণ করার পূর্বে।
মেঘ শিখে নেয় তার স্বল্পমেয়াদী জীবনে বাতাসের
মৃদু ইশারায় না মেতে উঠতে, যদিও যৌবনের ইচ্ছে
ও উচ্ছাস স্বাভাবিক ভাবেই নিজ নিয়ন্ত্রণে বাঁধা
মোটেও সহজ নয়। এই নিজের মন কে বোঝায় -
তার উদ্দেশ্য দিকভ্রষ্ট না হয়ে পাহাড়ের চূড়া কে
আলিঙ্গনেই তার জীবনের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে।
পাহাড়ি নদীর উচ্ছল জলধারা, নিজেকে ঝর্ণা রূপে
প্রতিষ্ঠিত করার পূর্বে, প্রতিটি বিন্দু তার ছিল এক
অপেক্ষায় - অপেক্ষা কৈশরীয় স্বাধীনতার প্রথম
মনের পাখনা মেলে উড়ে চলার। তবুও, সেও রাখে
নিজেকে সংযত, বিন্দু বিন্দু করে নিজেকে ভরিয়ে
তোলে ঝর্ণার প্রথম ধারায় রূপান্তর করতে। সে এই
সীমাবদ্ধতা মেনেই পরবর্তীতে নিজেকে নদীরূপে
বহমান হয়ে সাগরের কাছে নিজেকে হারায়।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment