তবুও সমাজের যে আছে নিষেধ শত শত।
নিয়ন্ত্রণ নেই দেখি যাদের নিজ জীবনে,
তবে দেয় কেন উঁকি তারা অন্যের গগণে?
জানি স্বচ্ছ জল বয় না আর কোনো নদীতে,
কেমন এই জীবন অজস্র ‘কিন্তু’ বা ‘যদি’ তে?
নিদারুণ শূন্যতায় মস্তিষ্ক বিচরণ করে যার,
প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে শুনি তাদেরই হাহাকার।
নিজ জীবনে যত কষ্ট, বাকি সবাই রয় সুখে,
এই ভাবনায় কিছু জনের, জীবন কাটে দুঃখে।
কুয়ো’র ব্যাঙের, কুয়ো থেকে, বেরোনো হয় না
সৃষ্টির আলো বাতাস, কোনোটাই সে পায় না।
‘ভেবো না, আমি আছি’, এমনই মানুষ বলে
আসে বিপদ যখন, এরা পালায় সদলবলে।
আমি পর্দা বিহীন, দেখেছি কিছু নাট্যকার,
মুখে যাদের যুদ্ধ জয়, খোঁজে পথ পালাবার।
আশ্চর্য সমাজ! জেনো আমি ভালো আছি
তাড়ানোর কৌশল জানি, উদ্ভট মশা মাছি।
আশ্চর্য সমাজ! আমি রাখি নিজেকে ভুলিয়ে
আছে বহু গাধা জানি, নাকে গাজরটি ঝুলিয়ে।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment