আনন্দ উদ্বেলিত হয়ে দূর করে দেয় সব ভয়।
সূর্য ঝলমলে পাথরের পথে পড়ে পদচিহ্ন,
অকথিত আশার কথা আর প্রতিজ্ঞা নিয়ে।
ছায়া নেমে আসে, অন্ধকার আলোকে করে গ্রাস ।
হতাশা নামে ক্ষণিকের আনন্দকে শেষ করে।
ঝর্ণার মতো অশ্রু বয়ে চলে একাকী পথে -
দুঃখ কথা বলে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি নিয়ে।
ঘড়ির দোলক যা দোলে উঁচু থেকে নিচুতে,
সেই সদা পরিবর্তনশীল জোয়ার-ভাটা।
স্ফুলিঙ্গ থাকে যেখানে সাহস খুঁজে পায় প্রাণ -
এবং লড়াই চালিয়ে যায় আসন্ন মৃত্যু পর্যন্ত।
প্রতিটি কান্না যা গভীর হয় রাতের সাঁথে,
সকালের অভ্যর্থনা অন্ধকারকে আলোকিত করে।
ঝড়, হেমন্ত বা শীত থেকে বসন্ত পর্যন্ত,
আত্মা সহ্য করে নেয় দুঃখকষ্ট যা বয়ে আনে।
অন্ধকার আর আলোর লুকোচুরির মাঝে,
খুঁজে পাই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শক্তি।
আনন্দ আর বেদনার এক বিস্ময়কর মিশ্রণে,
আমরা শিখি ভালোবাসতে, পুনরায় আশা বাঁধতে।
যখন অবশেষে শেষ অধ্যায়টি হবে পার -
ইতিমধ্যে ঝরে পড়া হাসি আর অশ্রু নিয়ে,
আমরা জানব, আমাদের এই যাত্রাটি, আলো -
আর অন্ধকারের মধ্যে নির্ভয়ে হলো অতিক্রম।
প্রসেনজিৎ দাস © ১৯৯৭-২০২৬
No comments:
Post a Comment